গাজামুখী নৌবহর ‘গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা’য় বর্বর ইসরাইলি হামলার ঘটনায় বিশ্বজুড়ে নিন্দার ঝড় উঠেছে। এই ঘটনাকে ‘সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে তুরস্ক। একইসঙ্গে এ ঘটনায় স্পেন, ইতালি, জার্মানি, তুরস্ক ও গ্রিসসহ বহু দেশে ব্যাপক বিক্ষোভ ও সমালোচনার ঝড় শুরু হয়েছে।
বাংলাদেশের জনপ্রিয় ইসলামী বক্তা মিজানুর রহমান আজহারী ত্রাণবহর গাজায় পৌঁছানোর জন্য মহান আল্লাহর কাছে বিশেষ ভাবে দোয়া করেছেন। বৃহস্পতিবার ফেসবুকে এক পোস্টে লিখেছেন, ‘প্রভু হে! একটি জলযান হলেও তুমি তোমার কুদরতি মহিমা দ্বারা সৈকতে ভিড়িয়ে দাও।অভুক্ত গাজাবাসী অধীর আগ্রহে ত্রাণবাহী নৌবহরের অপেক্ষা করছে। কাতার ভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম আল জাজিরা জানিয়েছে, গাজায় অসহায় ফিলিস্তিনিদের জন্য ত্রাণ সহায়তা নিয়ে রওয়ানা দেওয়া নৌবহর গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা স্থানীয় সময় বুধবার গভীর রাতে দখলদার ইসরাইলি বাহিনীর বাধার সম্মুখীন হয় । বহরের বেশ কয়েকটি জাহাজ থামিয়ে তাতে উঠে পরে দখলদার ইসরাইলি বর্বর নৌ সেনারা। বন্ধ করে দেওয়া হয় নৌযান থেকে চলা সরাসরি সম্প্রচার। পরে নৌযানে থাকা মানবাধিকার কর্মীদের আটক করা হয়,
সুমুদ ফ্লোটিলায় আটক অ্যাক্টিভিস্টদের নেওয়া হচ্ছে ইসরাইলে বর্বর ইসরাইলি বাহিনীর হেফাজতে,
জানা গেছে, বর্তমানে কয়েকটি নৌযানের সঙ্গে যোগাযোগ নেই। তারা যতই ইসরাইলি জাহাজের কাছাকাছি যাচ্ছে, যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার আশঙ্কা ততই বাড়ছে। কখনো কখনো যোগাযোগ ব্যবস্থা বিঘ্নিত হয়ে যায়, আবার কখনো কর্মীরা নিজেরাই মোবাইল ফোন ফেলে দেন, যাতে আটক বা হয়রানি এড়ানো যায়।
ইতিমধ্যে ফিলিস্তিনের গাজার জল সীমায় ‘গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা’র একটি জাহাজ প্রবেশ করে ফেলেছে । এছাড়া অন্তত ২৩টি ত্রাণবাহী নৌযান গাজার উপকূলের দিকে অগ্রসর হচ্ছে।

