এস এম আলমগীর হোসেন, কলাপাড়াঃ পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার শিক্ষিত ও বেকার যুবদের জন্য ‘কম্পিউটার ও নেটওয়ার্কিং’ প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে। যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের টেকনোলজি এমপাওয়ারমেন্ট সেন্টার অন হুইলস ফর আন্ডার প্রিভিলেজড রুরাল ইয়ং পিপল অব বাংলাদেশ (টেকাব) দ্বিতীয় পর্যায় শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় এ প্রশিক্ষণে ৪০ জন শিক্ষিত এবং বেকার যুবক ও যুব নারীরা অংশগ্রহন করেছেন।উপজেলা পরিষদ চত্বরে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের একটি ভ্রাম্যমান গাড়িতে বসে প্রশিক্ষণের জন্য নির্বাচিতরা আগামী দুই মাস প্রশিক্ষণ গ্রহন করবেন। সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১ টায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এই কম্পিউটার ও নেটওয়ার্কিং প্রশিক্ষণ উদ্বোধন করা হয়।এ প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধন করেন উপজেলা ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ইয়াসীন সাদেক। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন পটুয়াখালী যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. আবদুর রশিদ খান। এ সময় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ জুয়েল ইসলাম, কলাপাড়া প্রেসক্লাবের সভাপতি নেছারউদ্দিন আহমেদ টিপু, উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা মো. আব্বাস আলী, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান খান। এ সময় উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার, উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা মাহবুবা বেগম, সহকারী যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান ও অমল চন্দ্র শীল, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের ইমপ্যাক্ট প্রকল্পের কমিউনিটি সুপারভাইজার (সিএস) গাজী মো. নিয়াজ মোর্শেদ উপস্থিত ছিলেন। পুরো অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা স্বপন কুমার সরকার।এতে প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের প্রশিক্ষক ফারুক আহমেদ রিজভী।প্রশিক্ষণার্থী উম্মে হানী বলেন, ‘আমরা শুধু প্রশিক্ষণ নিয়ে বসে থাকতে চাইনা, প্রশিক্ষণের পর যাতে আমাদের কর্মসংস্থান হয় সে ব্যবস্থাও চাই।ম্পিউটার ও নেটওয়ার্কিং প্রশিক্ষণের জন্য গত ২৭ আগষ্ট সাক্ষাতকারের ভিত্তিতে ৪০ জন শিক্ষিত ও বেকার যুবককে বাছাই করা হয়।
কলাপাড়ায় যুবদল কর্মীকে কুপিয়ে গুরুতর জখম; দুই জন গ্রেফতার

এস এম আলমগীর হোসেন, কলাপাড়াঃ পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় যুবদল কর্মী মোঃ সোহেল তালুকদার (৪২) কে কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়েছে। সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পৌরশহরের বাদুরতলী এলাকায় বখাটে অটো বাইক চুরি চক্রের হোতা হাসানের নেতৃত্বে সোহেল তালুকদারের ওপর সশস্ত্র এই হামলা চালানো হয়। সোহেল তালুকদারের গলার বাম পাশে ও বাম হাতের কনুই বরাবর কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়েছে। স্থানীয়রা তাকে শঙ্কাজনক অবস্থায় প্রথমে কলাপাড়া হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসা শেষে চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে প্রেরণ করেন। আহত সোহেল তালুকদার জানান, তার এক নিকট আত্মীয়ের একটি অটোবাইক চুরির ঘটনা জিজ্ঞেস করায় ক্ষিপ্ত হয়ে হাসান তার সহযোগিদের নিয়ে তাকে এলোপাথারি কুপিয়ে জখম করে। হত্যার উদ্যেশ্যে তাকে কোপানো হয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন। এঘটনায় পুলিশ তাৎক্ষণিক মূল অভিযুক্ত হাসান ও তার সহযোগী জুয়েলকে গ্রেফতার করেছে।
কলাপাড়া থানার ওসি মোহাম্মদ জুয়েল ইসলাম জনকন্ঠকে জানান, ঘটনা শোনার সঙ্গে সঙ্গে দুইজনকে আটক করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা গেছে, এই চক্রের সদস্যরা স্থানীয় গডফাদারদের শেল্টারে কলাপাড়া পৌরশহরসহ বাদুরতলী বালিয়াতলী সড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে মাদক চোরাচালানিসহ বিভিন্ন ধরনের অপকর্ম করে আসছে।

