শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ০৬:২৯ অপরাহ্ন [gtranslate]
শিরোনাম
ঢাকার সঙ্গে কৌশলগত সম্পর্ক জোরদার করতে চায় আঙ্কারা: তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইউএনজিএ জয়ের কৃতিত্ব প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের: পররাষ্ট্রমন্ত্রী জ্বালানি খাতে বাংলাদেশকে সহযোগিতার আশ্বাস সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে রোড শো করবে সরকার মৃত্যু: স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কাছে তদন্ত প্রতিবেদন জমা প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ডিএনডি বাঁধবিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত নড়াইলে অ্যাম্বুলেন্সে মরদেহ নিয়ে ফেরার পথে বাসের সঙ্গে সংঘর্ষ, নিহত ২ সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে হামলা মামলা ও রাজনৈতিক চাপ: কেন প্রশাসনিক বাঁধা? আগামী বাজেটের মূল লক্ষ্য দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ক্ষমতায়ন: অর্থমন্ত্রী জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি হলেন খলিলুর রহমান
Headline
Wellcome to our website...
পার্বতীপুরে সংবাদ প্রকাশে পশু হাসপাতালে মিলল ৪৪ হাজার ৩২৪ ভ্যাকসিন
/ ৫৮ সময় দেখুন
আপডেট : সোমবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৫, ৯:৩২ পূর্বাহ্ন

পার্বতীপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধিঃ সংবাদ প্রকাশের পর দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলা প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তর ও পশু হাসপাতালে গবাদি পশুর তড়কা রোগ (অ্যানথ্রাক্স), ক্ষুরা, লাম্পি ও বাদলা প্রতিরোধের জন্য মিলল ৪৪ হাজার ৩২৪ ভ্যাকসিন।দিনাজপুর প্রাণি সম্পদ অধিদপ্তরের (স্মারক নং-৩৩.০১.২৭০০.০০০.১৬.০০১.২৪) কর্তৃক গবাদি পশুর তড়কা রোগ (অ্যানথ্রাক্স) দুই হাজার মাত্রা, ক্ষুরা রোগে ২২৪ মাত্রা, লাম্পি রোগে ১০০ মাত্র, হাঁসের ডার্ক প্লেগ’র জন্য ৮ হাজার, কবুতরের পিজিয়ন পক্স ১৫ হাজার, ব্যাকটেরিয়া-বাহিত বাদলা রোগের জন্য দুই হাজার, মুরগির গলাফুলা দুই হাজারসহ মোট ৪৪ হাজার ৩২৪ ভ্যাকসিন সরবরাহ করা হয়েছে।উপজেলা প্রাণি সম্পদ ও পশু হাসপাতালে গিয়ে যোগাযোগ করা হলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন পার্বতীপুর উপজেলা প্রাণি সম্পদ অধিদপ্তরের ভেটেরেনারি সার্জন ডা. মোছাহেব আহমদ নাঈম। তিনি বলেন, শহরের নতুন বাজার এলাকায় খামারি মোহাম্মদ প্রিন্সের বাড়িতে ক্যাম্প করে সরকারি মূল্যে এসব ভ্যাকসিন প্রদান করা হবে। পর্যায়ক্রমে উপজেলার ১০ ইউনিয়ন এবং এক পৌরসভাসহ গবাদিপশু গৃহপালিত ও খামারি এলাকায় ক্যাম্প করে ওই সব ভ্যাকসিন দেওয়া হবে। লাম্পি, ক্ষুরা রোগ মাঠে চলমান রয়েছে। পাশের উপজেলায় তড়কা রোগের প্রাদুর্ভাব রয়েছে। এ উপজেলায় ১ লাখ ৫৭ হাজার ৫৬টি গরু রয়েছে। উপজেলা প্রাণি সম্পদ অফিস মাঠে কাজ করছে।পার্বতীপুর উপজেলা প্রাণি সম্পদ অধিদপ্তরে ও পশু হাসপাতালে ভ্যাকসিন না থাকায় খামারিরা বিভিন্ন কোম্পানির ভ্যাকসিন উচ্চমূল্যে কিনে। সরকারি ক্ষুরা (ফুট এন্ড মাউথ ডিজিজ) ষোলমাত্রার এক ভায়েল ভ্যাকসিনের মূল্য ৪০০ টাকা। কিন্তু ফার্মেসি থেকে তা ৩ হাজার থেকে ৪ হাজার টাকায় কিনতে হয়েছে খামারিদের। একইভাবে সরকারি লাম্পি স্কিন ডিজিজের (এলএসডি) পাঁচমাত্রার এক ভায়েল ভ্যাকসিনের মূল্য ২৫০ টাকা, যা বাজার থেকে ২ হাজার ২শ’ থেকে ২ হাজার ৫শ’ টাকায় কিনতে হয়।ভেটেরেনারি সার্জন ডা. মোছাহেব আহমদ নাঈম সাংবাদিকদের বলেন, গবাদিপশুর তড়কা রোগ (অ্যানথ্রাক্স), ক্ষুরা ও লাম্পি প্রতিরোধের জন্য ৪৪ হাজার ৩২৪ ভ্যাকসিন পাওয়া গেছে। যেহেতু আমরা ভ্যাকিসন পেয়েছি ক্যাম্প করে গবাদিপশুকে ভ্যাকসিন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আশা করছি পর্যাক্রমে উপজেলা ও পৌরসভায় প্রান্তিক খামারি ও খামারিদের মাঝে সরকারি মূল্যে ভ্যাকসিন প্রদান করা হবে। রোগ প্রতিরোধে গরুর মালিক ও খামারিদের সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আক্রান্ত এলাকায় উঠান বৈঠক ও লিফলেট বিতরণ হবে। গরু রাখার জায়গা পরিস্কার রাখার পরামর্শ দেয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
আমাদের লাইক পেজ

Recent Comments

No comments to show.