শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ০২:৩২ পূর্বাহ্ন [gtranslate]
শিরোনাম
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বদলে যাচ্ছে বগুড়ার আলোচিত দুই ইউনিয়নের নাম শিগগিরই তিস্তা মহাপরিকল্পনা প্রকল্প পাশ হবে : পানি সম্পদ মন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি জাতি গঠনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ হলো শিশুদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যে বিনিয়োগ : প্রধানমন্ত্রী ভোলাহাটে প্রশাসনের অভিযানের পরও গভীর রাতে ড্রেজার দিয়ে মাটি কাটার মহোৎসব যেন থামছেই না। পবিপ্রবিতে কমিটি গঠন আহ্বায়ক ড. আতিকুর রহমান সদস্য সচিব ড: খোকন হোসেন। ময়মনসিংহে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে চেক বিতরণ ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন করেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী দক্ষিণ কোরিয়াকে হারিয়ে প্রথম দল হিসেবে বিশ্বকাপের দ্বিতীয় রাউন্ডে মেক্সিকো কাতারকে ৬ গোলে উড়িয়ে কানাডার জয় বসনিয়া-হার্জেগোভিনাকে ৪-১ গোলে হারিয়ে দারুণ জয় সুইজারল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ
Headline
Wellcome to our website...
শিগগিরই তিস্তা মহাপরিকল্পনা প্রকল্প পাশ হবে : পানি সম্পদ মন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি
/ ২ সময় দেখুন
আপডেট : শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬, ৬:৫০ অপরাহ্ন

ডেস্ক রিপোর্ট : শিগগিরই একনেক সভায় তিস্তা মহাপরিকল্পনা প্রকল্প পাশ হবে, তবে বিশেষজ্ঞ টিমের পরীক্ষা নিরীক্ষা শেষে কাজ শুরু হবে। প্রধানমন্ত্রী এই প্রকল্পকে অগ্রাধিকার প্রকল্প হিসেবে বিবেচনায় নিয়েছেন। তাই তিস্তাপারের বাসিন্দাদের আর কোনো চিন্তা নেই বলেছেন,পানি সম্পদ মন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি । রংপুরের কাউনিয়ায় তিস্তা সেতু এলাকা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে মন্ত্রী আজ শুক্রবার এসব কথা বলেন।তিস্তা ব্যারাজ পরিদর্শনকালে মন্ত্রীর সাথে আরও উপস্থিত ছিলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, লালমনিরহাট-১ (পাটগ্রাম-হাতীবান্ধা) আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার হাসান রাজীব প্রধান, লালমনিরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য রোকন উদ্দিন বাবুল, রংপুর জেলা বিএনপির সভাপতি সাইফুল ইসলাম, লালমনিরহাট জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আফজাল হোসেন, লালমনিরহাট ও রংপুরের জেলা প্রশাসক এবং প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা।শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, তিস্তা নদীকে ঘিরে মেগা প্রকল্প গ্রহণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সম্পূর্ণ দেশীয় অর্থায়নে এবং দেশি-বিদেশি কারিগরি সহযোগিতায় দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই ‘তিস্তা মেগা প্রকল্প’ বাস্তবায়ন করা হবে।তিনি জানান, এ প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রায় ১৩ থেকে ১৪ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন হবে। বিশেষ প্রকল্পের আওতায় প্রয়োজনীয় অর্থায়নের মাধ্যমে এটি বাস্তবায়িত হতে যাচ্ছে এবং প্রধানমন্ত্রী নিজেই এই কাজের সার্বিক অগ্রগতি তদারকি করছেন। আমরা যদি খুব পরিকল্পিত বাঁধ নির্মাণ করি, পরিকল্পিত ড্রেজিং করি তাহলে এই অঞ্চলের মানুষকে ইনশাআল্লাহ রক্ষা করতে সক্ষম হবো।পানি সম্পদ মন্ত্রী বলেন, তিস্তাপারের সকল দিক বিবেচনা করলে তিস্তা মহাপরিকল্পনা খুবই প্রয়োজন। তিস্তা শুধু আপনাদের (লালমনিরহাট, রংপুর) দুঃখ না, এটা সারা বাংলাদেশের দুঃখ। আমরা যখনই এ কাজগুলো দৃশ্যমান করে সমাপ্ত করতে পারব, হয়ত ২-৪ বছর বা ৬-৭ বছর সময় লাগবে। কিন্তু এর সুফল এ অঞ্চলের মানুষ পাবে, সারা বাংলাদেশের অর্থনীতি চাঙ্গা হবে। অর্থনীতির ভিত মজবুত হবে। এখানে কৃষি উপকরণ এবং কৃষিভিত্তিক অঞ্চল গড়ে উঠবে, যেটা আপনাদের এ অঞ্চলের পাঁচটা জেলার দুঃখ। তা আনন্দে পরিণত হবে।তিনি বলেন, নির্বাচনের আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ অঞ্চলের মানুষকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, তিস্তার দুঃখ তিনি দূর করবেন। প্রধানমন্ত্রী তাঁর সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষায় ইতোমধ্যে একাধিক কমিটি গঠন করে দিয়েছেন। পানি সম্পদ মন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি আরও জানান, প্রকল্পের প্রাথমিক সমীক্ষা ও সমীকরণের কাজ ইতোমধ্যেই শেষ হয়েছে। ৯ সদস্যের একটি বিশেষজ্ঞ প্রকৌশলী দল এই প্রকল্পটির রূপরেখা তৈরিতে কাজ করছেন। আগামী দুই-এক মাসের মধ্যেই এই মহাপরিকল্পনার আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হবে।শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন ,‘শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এ অঞ্চলের কৃষিতে বিপ্লব ঘটানোর লক্ষ্যে তিস্তা সেচ প্রকল্পের সূচনা করেছিলেন। আজ তাঁরই যোগ্য উত্তরসূরি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে তিস্তা মেগা প্রকল্প বাস্তবায়িত হবে।সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে পানি সম্পদ মন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা কেবল নদী শাসন বা ভাঙন রোধের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং শুষ্ক মৌসুমে কীভাবে নদীটিতে পর্যাপ্ত পানি ধরে রাখা যায়, সেই স্থায়ী ব্যবস্থাও এই প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।মতবিনিময় শেষে মন্ত্রী তিস্তা তীরবর্তী নদীভাঙন এলাকা পরিদর্শন করেন এবং স্থানীয় সাধারণ মানুষের সাথে কথা বলে তাদের খোঁজখবর নেন। এর আগে, তিনি পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে তিস্তা মেগা প্রকল্পের কারিগরি বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ এক মতবিনিময় সভায় মিলিত হন। তিস্তা ব্যারাজ ও কাউনিয়া এলাকায় তিস্তা সেতু পরিদর্শন শেষে ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু সাংবাদিকদের বলেন, বিভিন্ন ব্যক্তি বিভিন্ন বিতর্ক ছড়াচ্ছে, তিস্তাপারের মানুষ যেন এসব বিতর্কিত কোনো কথায় কান না দেন। সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে, ধৈর্য ধারণ করে আমাদের কাজ সফল করতে হবে। দুলু বলেন, প্রধানমন্ত্রী খুব গুরুত্বসহকারে তিস্তা মেগা প্রকল্প হাতে নেওয়ার পরিকল্পনা করছেন। অবশ্যই আমরা সফল হব।

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
আমাদের লাইক পেজ

Recent Comments

No comments to show.