নিজস্ব প্রতিবেদক : অন্তর্বর্তী সরকার জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ ২০২৫–এর চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে, যার মাধ্যমে কমিশনকে দেশে ‘ন্যাশনাল প্রিভেন্টিভ মেকানিজম’ বা এনপিএমের দায়িত্ব পালন করার ক্ষমতা প্রদান করা হলো। এই ক্ষমতা কাজে লাগিয়ে কমিশন এখন দেশের যেকোনো আটককেন্দ্র ও কারাগারে গিয়ে নির্যাতন, অমানবিক আচরণ ও অনিয়ম প্রতিরোধে নজরদারি চালাতে পারবে।প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের সাপ্তাহিক বৈঠকেই অধ্যাদেশটি সবুজ সংকেত পায়।বৈঠক শেষে ব্রিফিংয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানান, আন্তর্জাতিক বাধ্যবাধকতার অংশ হিসেবে বাংলাদেশ এখন মানবাধিকার রক্ষায় আরও জবাবদিহিমূলক অবস্থানে যাচ্ছে। তাঁর ভাষায়, “কমিশন এখন আটককেন্দ্র ও জেলগুলোতে স্বাধীনভাবে পরিদর্শন চালাতে পারবে, প্রয়োজনীয় প্রতিবেদন তৈরি করবে এবং নির্যাতন প্রতিরোধে সুপারিশ করবে।তিনি আরও উল্লেখ করেন, পরিদর্শন ও প্রতিবেদন প্রকাশের ক্ষেত্রে কমিশন সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে কাজ করবে। উল্লেখ্য, গত ৩০ অক্টোবর উপদেষ্টা পরিষদ প্রথমে অধ্যাদেশটির নীতিগত অনুমোদন দিয়েছিল।

