রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ০৭:৪৫ পূর্বাহ্ন [gtranslate]
শিরোনাম
ময়মনসিংহে তিনদিন ব্যাপী সাংবাদিক কর্মশালার উদ্ভোধন অনুষ্ঠিত। চট্টগ্রামের রাউজানের রাঙ্গুনিয়ায় যুবদল নেতা কে প্রকাশ্যে গুলিতে হত্যা। পালিয়ে থেকেও শেষ রক্ষা হলো না ধর্ষণকারীর অবশেষে গ্রেফতার। ঢাকা জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিক ও ঢাকা-১৯ আসনের সংসদ সদস্যের সঙ্গে মত বিনিময় করেন নবনিযুক্ত পুলিশ সুপার শামীমা পারভীন। পটুয়াখালী ভার্সিটির, নবনিযুক্ত ভিসি প্রফেসর ড. এস এম হেমায়েত জাহানকে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় পরিষদ এর অভিনন্দন। মোরগ-খাসির লড়াইয়ে বিশ্বকাপের উন্মাদনা। প্যারাগুয়েকে ৪ গোল উড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্বকাপে ইতিহাস কানাডা-বসনিয়ার লড়াই ১-১ গোলে সমতা বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিতে সরকার কাজ করছে: বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এটি কোনো দল বা গোষ্ঠীর বাজেট নয়, দেশের সব মানুষের জন্য : অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী
Headline
Wellcome to our website...
যুক্তরাষ্ট্র-দক্ষিণ কোরিয়াকে ‘ভয়াবহ পরিণতির’ হুঁশিয়ারি কিমের বোনের
/ ১১৩ সময় দেখুন
আপডেট : মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬, ৫:৪৫ অপরাহ্ন

ডেস্ক রিপোর্ট : যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার বার্ষিক যৌথ সামরিক মহড়ার কড়া সমালোচনা করেছেন উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উনের বোন কিম ইয়ো জং। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, উত্তর কোরিয়ার নিরাপত্তাকে চ্যালেঞ্জ করা হলে তার ‘পরিণতি হবে ভয়াবহ।মঙ্গলবার দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, বৈশ্বিক নিরাপত্তা যখন অস্থিরতার মুখে, ঠিক সেই সময় এই সামরিক মহড়া চালিয়ে যাওয়া আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি তৈরি করছে।একদিন আগে যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়া তাদের ১১ দিনব্যাপী যৌথ সামরিক মহড়া ‘ফ্রিডম শিল্ড’ শুরু করেছে।এতে হাজারো সেনা অংশ নিচ্ছে। মহড়ার অংশ হিসেবে ‘ওয়ারিয়র শিল্ড’ নামে একটি ফিল্ড ট্রেনিং কর্মসূচিও পরিচালিত হচ্ছে। কিম ইয়ো জং সরাসরি মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের কথা উল্লেখ না করলেও বলেন, বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন স্থানে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ছে এবং আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা কাঠামো দ্রুত ভেঙে পড়ছে। তার ভাষায়, ‘উন্মত্ত আন্তর্জাতিক দুষ্কৃতকারীদের বেপরোয়া কর্মকাণ্ডের কারণে বিশ্বজুড়ে সংঘাত বাড়ছে।ফ্রিডম শিল্ড যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার দুটি প্রধান বার্ষিক কমান্ড পোস্ট মহড়ার একটি। মূলত কম্পিউটার সিমুলেশনের মাধ্যমে পরিচালিত এই মহড়ায় সম্ভাব্য যুদ্ধ পরিস্থিতি ও নতুন নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার সক্ষমতা যাচাই করা হয়।উত্তর কোরিয়ার ক্রমবর্ধমান পারমাণবিক কর্মসূচির প্রসঙ্গ টেনে কিমের বোন বলেন, বাহ্যিক হুমকির বিরুদ্ধে দেশটি তার ‘ধ্বংসাত্মক শক্তি’ আরও বাড়াতে থাকবে এবং শত্রুদের কাছে তাদের যুদ্ধ প্রতিরোধ ক্ষমতার মারাত্মকতা বারবার প্রমাণ করবে।দীর্ঘদিন ধরেই উত্তর কোরিয়া যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার যৌথ মহড়াকে আক্রমণের প্রস্তুতি হিসেবে বর্ণনা করে আসছে। প্রায়ই এসব মহড়াকে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করে তারা নিজেদের সামরিক প্রদর্শনী বা অস্ত্র পরীক্ষা বাড়ায়। তবে যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়া বলছে, এসব মহড়া সম্পূর্ণ প্রতিরক্ষামূলক।এদিকে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ুং জানিয়েছেন, তার দেশে মোতায়েন করা কিছু মার্কিন বিমান প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম (যেমন পেট্রিয়ট মিসাইল সিস্টেম) মধ্যপ্রাচ্যে সরিয়ে নেওয়া হতে পারে। সিউল এই পদক্ষেপের বিরোধিতা করলেও তিনি স্বীকার করেন যে, বর্তমান পরিস্থিতিতে সব কিছু তাদের নিয়ন্ত্রণে নেই। তবে তিনি আশ্বস্ত করেছেন, এতে উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে তাদের সামগ্রিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দুর্বল হবে না।সম্প্রতি মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সামরিক অভিযানে সহায়তা দিতে দক্ষিণ কোরিয়া থেকে কিছু প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও অন্যান্য সামরিক সরঞ্জাম সরিয়ে নিতে পারে যুক্তরাষ্ট্র; এমন খবর আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোয় চাউর হয়। এক মন্ত্রিসভা বৈঠকে প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ুং বলেন, আমাদের সরকার এ ধরনের পদক্ষেপের বিরোধিতা জানিয়েছে। তবে বাস্তবতা হলো, আমরা সব পরিস্থিতি আমাদের ইচ্ছামতো নিয়ন্ত্রণ করতে পারি না।গত সপ্তাহে উত্তর কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানের ওপর হামলাকে ‘ভুয়া শান্তির অজুহাতে চালানো অবৈধ আগ্রাসন’ বলে অভিহিত করে।ওয়াশিংটন ও সিউলের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে কূটনৈতিক অচলাবস্থার মধ্যে কিম জং উন তার পররাষ্ট্রনীতিকে ক্রমেই একটি নতুন শীতল যুদ্ধের ধারণার ওপর দাঁড় করাচ্ছেন। একই সঙ্গে তিনি মস্কো ও বেইজিংয়ের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করছেন এবং পিয়ংইয়ংকে যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী এক যৌথ ফ্রন্টের অংশ হিসেবে তুলে ধরছেন।রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইউক্রেনে পূর্ণমাত্রার যুদ্ধ শুরু করার পর মস্কোকে সমর্থন দেওয়া কয়েকটি দেশের মধ্যে উত্তর কোরিয়া ও ইরানও রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, তারা রাশিয়াকে বিভিন্ন সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহ করেছে। গোলাবারুদ ও ক্ষেপণাস্ত্রের পাশাপাশি উত্তর কোরিয়া হাজার হাজার সৈন্যও রাশিয়ার পক্ষে যুদ্ধে পাঠিয়েছে।পররাষ্ট্রনীতিতে রাশিয়াকে অগ্রাধিকার দেওয়ার পাশাপাশি কিম জং উন চীনের সঙ্গেও সম্পর্ক জোরদারের চেষ্টা করছেন। গত সেপ্টেম্বরে তিনি বেইজিং সফর করেন এবং ছয় বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেন। সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি, এপি

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
আমাদের লাইক পেজ

Recent Comments

No comments to show.