প্রতিনিধি, জামিল বিশ্বাস :
গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর উপজেলার চন্দ্রায় বরিয়াবরি দরবার শরীফে টিকিট ছাড়া খাবার না মিলায় ভক্তবৃন্দের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিচ্ছে।পবিত্র ওরশ মোবারকে সাধারণত মোসাফির, মিসকিন,অসহায়, গরীর ও দূরদূরান্তের ভক্তদের জন্য খাবার রান্না করা হলেও তাদের কপালে জুটে না খাবার।টিকিট পাওয়ার জন্য প্রয়োজন সুপারিশ নয়ত পরিমাণ মত চাল না হলে অর্থ।
বিভিন্ন বাড়ির ওরশ পরির্দশন করে দেখা য়ায়,কেউ কেউ শরিয়তের পরিপন্থী কাজ নিয়ে ব্যস্থ,,কেহ আবার পীর আসেকানদের মূল আইনের পরিপন্থী।
এ সকল কর্মযোগ্য বাহিরের দুনিয়া থেকে লুকিয়ে রাখার জন্য সকল ধরনের ছবি তোলা, ভিড়িও করা সম্পন্ন নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
সাংবাদিকেরা ছবি ও ভিড়িও ধারন করতে গেলে তাদের মোবাইল, ক্যামেরা ছিনিয়ে নেওয়া হয় এবং দরবারের আশেকান দারা লাঞ্চিত হতে হয়।
এছাড়া একাধিক জায়গায় গানের মঞ্চ করায় প্রচন্ড পরিমাণ শব্দ দূষণ হচ্ছে ও পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে।
এ সম্পর্কে ঝিটকা শরিফের পীর সাহেব হয়রত খাজা জামিল বিশ্বাস আল চিশতী বলেন-পীর ও আসেকানদের একতা,বন্ধন খুবই প্রয়োজন এ বিষয়টি সবসময় খেয়াল রাখতে হবে,,পীর মাসেকান মধ্যে যদি হিংসা,বিদ্বেষ, অহংকার থাকে তাহলে তাহারা প্রকৃত পীর মাসেকান হতে অনেক দূরে।তাদের কাছ থেকে আশেকানরা কোন কিছুই শিক্ষতে বা জানতে পারবে না। আর টিকিটে খাবারের বিষয়টি জেনে আমি নিজেই অবাক হয়েছে।
এ বিষয়ে আমি সুনিশ্চিত নই।তবে একটি বিষয় যে ইসলামের শাষন ব্যবস্থা খেজুরের পাতায় বসে রচিত হয়েছে তা যদি প্রাসাধে তুলে, রাজ সিংহাসনে বসে অহংকারের সাথে তুলে ধরেন তাহলে ধর্মের বিৎচুতি হবেই।

