এম. এস. আই শরীফ, ভোলাহাট (চাঁপাইনবাবগঞ্জ)প্রতিনিধিঃ
ভোলাহাটে জ্বালানী তেলের সঙ্কটে দিশেহারা কৃষক একমাত্র ভোলাহাট ফিলিং স্টেশনে পর্যাপ্ত তেল না থাকায় ধান ও আমের মৌসুমে লক্ষ্যমাত্রা ভেস্তে যেতে বসেছে, ধান ও আমচাষীগণের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে সুদৃষ্টি দেয়ার আহবান জানিয়েছেন।
ভোলাহাটে বর্তমান ভরা ধানের মৌসূম অর্থকরী ফসল বা ফল আমের পরিচর্যায় জ্বালানী তেলের দরকার।
এ দুটি ফসলের লক্ষ্য মাত্রাকে সঠিক রাখতে চাষাবাদের পরিচর্যা লক্ষণীয়।
পর্যাপ্ত জ্বালানী তেলের অভাবে ধান ও আম চাষাবাদে ব্যাহত হলে আশানুরূপ ফলন ও পাবে না চাষীগণ।
ধান ও আমফলের চাষাবাদ ও ফসলের লক্ষ্যমাত্রায় রাখতে ও পরিচর্যা করতে প্রয়োজন জ্বালানী তেলের।
এ জ্বালানী তেল সংগ্রহে লক্ষাধিক চাষীগণ চাতক পাখির মত তাকিয়ে থাকেন ভোলাহাট ফিলিং স্টেশন এর দিকে।
এখানে চাষীদের চাহিদা অনুপাতে তেল না পাওয়ায় তারা নানা ধরণের ভোগান্তির শিকার হচ্ছে।
এ অবস্থা চলতে থাকলে এবং ভোলাহাট ফিলিং স্টেশন টিতে পর্যাপ্ত তেল সরবরাহ না হলে চাষীগণ চরম বেকায়দায় পড়বে বলে পরিলক্ষিত হয়েছে।
এ ব্যাপারে ভোলাহাট ফিলিং স্টেশন এর স্বত্বাধিকারী মোঃ আব্দুল লতিফ বলেন, বর্তমানে সপ্তাহে তেল পাচ্ছি ২৬/২৭ হাজার লিটার।
উপজেলার চাষীদের চাহিদানুপাতে প্রয়োজন সপ্তাহে ৫০/৫৬ হাজার লিটার। ধানের ভরা মৌসূমে ও আমগাছের পরিচর্যার জন্য জ্বালানী তেলের চাহিদা প্রচুর।
তাই ধানচাষী ও বিশেষ করে আমচাষীদের প্রচুর জ্বালানী তেলের চাহিদা অনুপাতে সপ্তাহে আসা উল্লেখিত তেল পর্যাপ্ত নয়। সপ্তাহে ৪০ থেকে ৫০ হাজার লিটার তেল সরবরাহ দেয়া হলে ধান ও আমচাষীদের চাহিদা পূরণ করতে সক্ষম হবো বলে তিনি তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন।

